বাটলারের টেস্ট ক্যারিয়ার হুমকির মুখে: গফ

তাসকিন আফতাব স্পোর্টস রিপোর্টার
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০, বিকাল ৪:২৯

ইংল্যান্ডের বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান জস বাটলার। বাটলারকে ছাড়া ইংল্যান্ড একাদশ চিন্তা করা যায় না। তবে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বাটলার যেন বড্ড অচেনা। টেস্ট ক্রিকেটে আহামরি পারফরম্যান্স দেখাতে পারছেনা বিশ্বকাপ জয়ী এই ক্রিকেটার। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে নিজেকে মেলে ধরতে পারেন নি তিনি।

সাউদাম্পটন টেস্টে দুই ইনিংসে বাটলারের রান ৩৫ ও ৯। সর্বশেষ ১২ টেস্টে নামের পাশে নেই কোন অর্ধশতকও। সেই সাথে সর্বশেষ টেস্টে বাটলারের বিশ্বস্ত গ্লাভস ফাঁকি দিয়েছিলো ব্ল্যাকউডের ক্যাচও। আর সেই ক্যাচ মিসের মাশুল দিতে হয়েছিলো পুরো ইংল্যান্ডকে। ব্ল্যাকউডের দ্বিতীয় ইনিংসে করা ৯৫ রান উইন্ডিজদের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলো। আর তাই ইংল্যান্ডের সাবেক পেসার ড্যারেন গফ মনে করেন নিজেকে প্রমাণ করার জন্য আর মাত্র দুটি টেস্ট সুযোগ পাবেন বাটলার।

স্কাই স্পোর্টসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গফ বলেন, “আমার মতে, নিজের ক্যারিয়ার বাঁচানোর জন্য আর দুইটি টেস্ট পাচ্ছে বাটলার। বাটলারের দুর্দান্ত প্রতিভা নিয়ে কারো মনে কোন দ্বিধা নেই। ক্রিকেটের যেকোনো শটস সে অনায়াসে খেলতে পারে। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে আপনি বারবার আউট হয়ে ফিরে আসতে পারেন না। বাটলার এটিই করছে গত কয়েক ম্যাচ ধরেই।”

এদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দলে সুযোগ হয়নি পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের। ঘরের মাটিতে প্রায় আট বছর এবং ৫১ টেস্ট পর দল থেকে বাদ পড়ে বেশ ক্ষোভও ঝেড়েছিল এই ইংলিশ ম্যান। গফের মতে ব্রডকে নিয়মিত সুযোগ দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে অ্যান্ডারসন-আর্চারদের বিশ্রাম দিয়ে তাদের বদলে ব্রড এবং ওকসকে নেওয়ার কথা বলেছেন।

গফ বলেন, “আমি মনে করি ব্রডকে দলে ফিরিয়ে উড এবং অ্যান্ডারসনকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বিশ্রাম দেয়া উচিৎ। তাদের বদলে ব্রড এবং ওকসকে নেয়া যায়। আমার এভাবেই পরিকল্পনা করছি। আমি চাই সবাইকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে খেলানো হোক। ব্রড আর ওকস নিজেদের মেলে ধরতে না পারলে তৃতীয় ম্যাচের জন্য আবার অ্যান্ডারসন এবং উডকে ফিরিয়ে আনা যাবে। শুরু থেকেই বলছি আর্চার ও উড এই দুজনের মধ্যে একজনকে খেলানো উচিৎ।”

উল্লেখ্য ৪২ টেস্টে প্রায় ৩২ গড়ে বাটলার রান করেছে ২১৭১। একমাত্র শতকের সাথে রয়েছে ১৫ টি অর্ধশতক। উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে করেছেন ৯২ টি ডিসমিসাল।