বিপিএল-ডিপিএল নিয়ে সিদ্ধান্ত ঈদের পর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২০, দুপুর ১:১৫

সিনিয়র করেসপন্ডেন্টঃ করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে টানা চার মাস স্থবির থাকার পর সম্প্রতি দেশের ক্রিকেটাঙ্গন কিছুটা সচল হয়েছে। ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছেন ক্রিকেটাররা।

তবে বিসিবির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট পুনরায় চালু করা। বিশেষ করে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ (ডিপিএল) ও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। স্থগিত হওয়া ডিপিএল দিয়েই ঘরোয়া ক্রিকেট শুরুর আশা করছে বিসিবি। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ডিপিএল আয়োজনের চিন্তা করছে বিসিবি। এছাড়া বিপিএল নির্ধারিত সময় তথা নভেম্বর-ডিসেম্বরেই করার আশা সংস্থাটির।

গুরুত্বপূর্ণ এই দুই ঘরোয়া টুর্নামেন্ট নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে ঈদুল আযহার পর। বিসিবি পরিচালক, মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস এমনটাই বলেছেন। সম্প্রতি এক ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ঈদের পরই বিপিএল-ডিপিএল নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবে বিসিবি।

জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘খুব শিগগিরই আমরা আলোচনায় বসব, কোরবানির ঈদের পর বিসিবির ওয়ার্কিং কমিটির একটি সভা আছে। বিপিএল নিয়ে চিন্তা করবো, কখন করা যায়। বিপিএল করার সময়টা হাতে আছে কেননা এটির জন্য নির্ধারিত সময় ডিসেম্বর-জানুয়ারি। সামনে আরও চার মাস হাতে থাকবে, আগস্ট-সেপ্টেম্বর-অক্টোবর-নভেম্বর। আমরা চেষ্টা করব বিপিএল ঠিক সময়েই করতে।’

আগস্ট মাসে করোনা পরিস্থিতির দিকেই তাকিয়ে আছে বিসিবি। পরিস্থিতির উন্নতি হলে জাতীয় দলের ক্যাম্পও শুরু হতে পারে। জালাল ইউনুস বলেন, ‘আমরা চাই প্রিমিয়ার লিগ শুরু হোক। দেখা যাক, ক্লাবের সঙ্গে বিসিবির আলাপ-আলোচনা চলছে। আগস্টের দিকে দেখি করোনার অবস্থা কেমন হয়। সেটার উপর নিভর্র করছে আমরা খেলা শুরু করতে পারব কিনা। আগস্টের দিকে তাকিয়ে আছি আমরা।’

অবশ্য করোনার উন্নতি না হলে মাঠে ক্রিকেট ফেরানো কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন বিসিবির এই পরিচালক। জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘পরিস্থিতি যদি অনুকূলে না থাকে খুব কঠিন লিগ আয়োজন করা। দুই-তিনটা ক্লাব ছাড়া সবার ওই অবস্থা আছে কিনা আইসিসির দেওয়া প্রটোকল, কোভিড-১৯ প্রটোকল মেনে সব কিছু করা।

ওভাবেই কিন্তু ব্যবস্থাপনা করতে হবে ক্লাবের। খেলোয়াড়রা যারা ক্যাম্পে থাকবে তারা কী পারবে ওভাবে মেইনটেইন করে থাকতে। ঝুকি তো থেকে যায়। জাতীয় দলের খেলোয়াড় যারা আছে বা স্কোয়াডে যারা আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদেরকে নিজেদের অধীনে যে ধরণের সুযোগ-সুবিধা যোগান দিতে পারবে সেটি কি ক্লাবগুলো পারবে, একটা প্রশ্ন থেকে যায়।’