বর্ণবাদের এক নির্যাতিত ইতিহাস

মুহাম্মদ আশিক সৈকত
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, দুপুর ১২:০১

সম্প্রতি ফ্রেঞ্চ ফুটবল লীগে অলিম্পিক মার্শেই এর বিপক্ষে বর্ণবাদের শিকার হয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেন পিএসজির তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। শুধু ফুটবল মাঠে নয়, গোটা বিশ্বে এক ভয়াবহ অমানবিক ব্যধির নাম 'বর্ণবাদ' যার থাবা থেকে ক্রিকেটও রেহাই পায়নি। আজ একজন কিংবদন্তির বঞ্চনার ইতিহাস আপনাদের শোনাবো যার ক্রিকেট দক্ষতা তুঙ্গে থাকার পরও শুধুমাত্র অশ্বেতাঙ্গ হওয়ার কারণে নিজ মাতৃভূমির দলে জায়গা মিলেনি।

ঘটনার পটভূমি দক্ষিণ আফ্রিকা, যেখানে শ্বেতাঙ্গ এবং অশ্বেতাঙ্গদের জন্য  ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ছিল আলাদা! শুধু তাই নয়, কেবল শ্বেতাঙ্গ শাসিত টুর্নামেন্টই পেত লিস্ট 'এ' এর মর্যাদা। তখনকার সময়ে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পূর্বশর্তই ছিল গায়ের রঙ। পারফরম্যান্স যেমনই হোক না কেন শ্বেতাঙ্গ না হলে সে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটও খেলতে পারতোনা! 

বর্ণবাদের সেই উত্তল সময়টাতে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে জন্ম নেন বাসিল ডি অলিভেইরা, যিনি ছিলেন ভারতীয়-পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত। এজন্য তার গায়ের রং আমাদের মতো শ্যামবর্ণের ছিল। তার জন্মসাল নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তিনি তার আত্মজীবনীতে স্বীকার করেন যে তিনি ১৯২৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার ক্রিকেটের হাতেখড়ি হয় বাবার কাছে, যিনি নিজেও একজন ক্রিকেটার ছিলেন। কালোদের লীগে কিশোর বাসিল ডি অলিভেইরার অভিষেকও ঘটে বাবার হাত ধরে। ওয়েস্ট প্রভিন্সের হয়ে সুযোগ পেয়ে যেন রানবন্যা বইয়ে দিচ্ছিলেন। 

১৯৬০ সাল পর্যন্ত তার সেঞ্চুরির সংখ্যা ছিল ৮২ টি!  শুধুমাত্র অশ্বেতাঙ্গ হওয়ায় তার এই অর্জন পত্র-পত্রিকা বা মিডিয়ায় আসেনি এবং খুব কম মানুষই তা জানে। ১৯৫৬-৫৭ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকান 'কালো' জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে তিনি কেনিয়া এবং পূর্ব আফ্রিকা সফর করেন। সবকটি সিরিজ জয়ের পাশাপাশি নিজের অলরাউন্ডার পারফরম্যান্স দিয়ে দলের প্রতিটি জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। পুরো পৃথিবী যেন প্রথমবারের মত দেখতে পেল এক হতভাগ্য তারকাকে, যার অপার সম্ভাবনার পথ রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে তার গায়ের 'কালো রঙ'।  

কেনিয়ার নাইরোবিতে খেলা তার ১৩৯ রানের ইনিংস দেখে প্রত্যক্ষদর্শী অনেক সাংবাদিক পরেরদিন পত্রিকার লেখনীতে তাকে গ্রেট ওয়ালি হ্যামন্ডের সাথে তুলনা জুড়ে দেন। সেবারই প্রথম তিনি জনসাধারণের পাদপ্রদীপের আলোয় আসেন এবং শুধুমাত্র গায়ের রঙয়ের কারণে জাতীয় দলে জায়গা না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

১৯৬০ সাল। জীবনের ৩১ টি বসন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় ততদিনে কাটিয়ে ফেলেছেন। সৃষ্টকর্তা প্রদত্ত গায়ের রঙ নিয়ে পদে পদে লাঞ্চনা-বঞ্চনা,মার খাওয়া যেন সহ্যের চরম সীমানায় পৌঁছে গেল। স্থির করলেন প্রিয় মাতৃভূমিকে বিদায় জানাবেন। বিক্ষুব্ধ অলিভেইরা সবুজ কালিতে প্রিয় বন্ধু সাংবাদিক জন আর্লটকে লিখে পাঠালেন তার প্রতি করা অবজ্ঞার ইতিহাস। তিনি সাদা নন, 'কালার্ড' দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিনায়ক। তাই তার চিঠির রঙও ছিল কালার্ড। সেই চিঠির কোথাও তিনি কাউকে দোষ দিয়ে কারও বিরুদ্ধে কিছু বলেননি, শুধু বন্ধুকে অনুরোধ করেছেন তাকে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে একটু সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

জন আর্লট চিঠি পাবার পর সাথে সাথেই যোগাযোগ করেন জন কে এর সাথে, যিনি মিডলটনের হয়ে অলিভেইরার খেলার ব্যবস্থা করে দেন। ১৯৬০ সালে অলিভেইরা জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করে একটু শান্তিপূর্ণভাবে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমান ইংল্যান্ডে। তবে অস্বচ্ছতার দরুন ইংল্যান্ডে যাওয়ার বিমানভাড়া যোগানোর সামর্থ্যটুকু তার ছিলনা। একজন ভারতীয় সাংবাদিক নিজ উদ্যেগে অনুদান সংগ্রহ করে তাকে ২০০ পাউন্ডের এয়ার টিকিটের ব্যবস্থা করে দেন।

ইংল্যান্ডে যাওয়ার পর সেখানে ক্রমে ক্রমে ক্ষুরধার ব্যাটিংয়ে নিজের জাত চেনাতে থাকেন। অবশেষে ১৯৬৪ সালে তিনি ইংলিশ নাগরিকত্ব লাভ করেন এবং উস্টারশায়ারে যোগ দেন। উস্টারশায়ারের হয়েই জীবনে প্রথমবারের মতো প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার সুযোগ পান। তবে এখানে যোগ দিতেও অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। অতীতে পূর্ব আফ্রিকা সফরে বন্ধু বনে যাওয়া টম গ্রাভিনি অনেকটা জোর করে উস্টারশায়ার কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করেন অলিভেইরাকে সাইন করানোর জন্য।ঠিক পরের বছরই উস্টারশায়ার কাউন্টি ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়। ঐ মৌসুমে অলিভেইরার অবদান ছিল ছয় সেঞ্চুরির সাহায্যে ১৬৯১ রান!

অভিমানের বশে ইংল্যান্ডে এসে ইংলিশ নাগরিকত্ব পাওয়ার পরেও স্বপ্ন দেখতেন জন্মভূমি দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্ট খেলার। অবশেষে টেস্ট খেলার সুযোগ এসে যায়। তবে তা মাতৃভূমির জার্সি গায়ে নয়, ইংলিশদের জার্সি গায়ে। 

১৯৬৬ সালের ১৬ জুন। ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে সেদিন শ্বেতাঙ্গ ইংলিশদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ালেন এক কৃষ্ণাঙ্গ, বাসিল ডি অলিভেইরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অভিষেক ইনিংসে ২৭ রান করে রান আউট হয়ে ফিরে গেলেও পরের টেস্টে দুই ইনিংসেই অর্ধশতক করেন। সে ম্যাচে ওয়েস হল, গ্যারি সোবার্স, ল্যান্স গিবসদের নিয়ে গড়া পেস আক্রমণের বিরুদ্ধে ৮৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন। পরের টেস্টগুলোতে ভারতের বিপক্ষে ১০৯, পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ইনিংসে ফিফটি করে বীরদর্পে সামনে এগুচ্ছিলেন।

তখন ছিল অ্যাশেজের মৌসুম। মর্যাদার লড়াইয়ে প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ড হারলেও তিনি ৮৭ রান করে অপরাজিত থাকলেন। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলোনা। 'টিম কম্বিনেশন' এর দোহাই দিয়ে পরের তিন টেস্টে বসিয়ে রাখা হল। শেষ টেস্টে প্রাইডক্সের চোটে আবার দলে ফিরলেন এবং অনবদ্য ১৫৮ রান করে ইংল্যান্ডকে জিততে সাহায্য করলেন। দলে জায়গা পাকাপোক্ত হয়ে গেল। 

সেবার অ্যাশেজ সিরিজটা ড্র হওয়ার পর ইংল্যান্ডের পরবর্তী সফর ছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। অলিভেইরা যে ভীষণ রোমাঞ্চিত ছিলেন তা বলাই বাহুল্য। হঠাৎ খবর পেলেন সে সফরের দল থেকে তাকে ছাটাই করা হয়েছে! ছুটে গেলেন এমসিসির কাছে। সেখানে সুস্পষ্ট কোন উত্তর না পেয়ে বুঝে নিলেন- তিনি আবারো বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন! প্রকৃতপক্ষে, এমসিসি দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে কোনরকম রাজনৈতিক বিবাদে জড়াতে চায়নি। অলিভেইরার এই আকস্মিক বাদ পড়ায় পরদিন 

লন্ডন টাইমস প্রতিবাদ জানিয়ে লিখেছিল-

"খেলার সাথে রাজনীতির মিশ্রন নয়- একথা বোকার দল ছাড়া আর কেউ বিশ্বাস করে না।" 

সমগ্র ইংল্যান্ডে প্রতিবাদ যখন তীব্রতর হলো, ঠিক তখনই দক্ষিণ আফ্রিকা সরকারের পক্ষ থেকে বিবৃতি আসলো- "কোন অশ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটারকে দক্ষিণ আফ্রিকা আতিথেয়তা দিতে রাজি নয়।"  সমগ্র ক্রিকেটবিশ্ব বিস্ময়ে হতবিহ্বল হয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত বাতিল হলো সে সফর। দক্ষিণ আফ্রিকার এরকম বর্ণবাদী আচরণে অলিভেইরা যে বুকফাটা কষ্ট পেয়েছিলেন তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। 

দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯১ সালের আগে কেবলমাত্র শ্বেতাঙ্গ দেশগুলোর সাথেই ক্রিকেট খেলতে চাইতো। আর যদি কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো কৃষ্ণাঙ্গ দেশের সাথে খেলার প্রস্তাব আসতো, তাহলে সেসব দেশে কখনোই শ্বেতাঙ্গদের নিয়ে গড়া মূল দলকে পাঠানো হতোনা! বর্ণবাদী আচরণের চরমমাত্রায় পৌঁছানোর পর একে একে পুরো বিশ্ব দক্ষিণ আফ্রিকাকে বয়কট করা শুরু করলো। ১৯৭০ সালে ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড যখন দক্ষিণ আফ্রিকাকে বয়কট করলো, তখন তাদের টনক নড়ে। ১৯৭১ সালে দলে অন্তত দুইজন কালো ক্রিকেটারকে নিয়ে হলেও তারা অস্ট্রেলিয়া সফর করতে চায়। কিন্তু অস্ট্রেলিয়াও তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। অবশেষে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২২ বছর দক্ষিণ আফ্রিকাকে ক্রিকেটে নির্বাসিত থাকতে হয় শুধুমাত্র এরূপ বর্ণবাদী আচরণের জন্য! 

যার জন্য এতকিছু সেই অলিভেইরা ১৯৭২ সালে শেষবারের মত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামেন। ইংলিশদের হয়ে খেলা ৪৪ টেস্টে তার সংগ্রহ ৪০ গড়ে ২৪৮৪ রান (৫ সেঞ্চুরি, ১৫ হাফ সেঞ্চুরি), ঝুলিতে আছে ৪৭ উইকেটও। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ২০০০ সালে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা তাকে তাদের শতাব্দী সেরা ১০ জন ক্রিকেটারদের মধ্যে স্থান দেয় যদিও তিনি আফ্রিকার হয়ে কোনদিন একটি টেস্টও খেলেননি! এছাড়া ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আফ্রিকা - ইংল্যান্ড সিরিজের নামকরণ করা হয় 'বাসিল ডি অলিভেইরা' ট্রফি। 

সারাজীবন বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা এই যোদ্ধার জীবনাবসান ঘটে ২০১১ সালে। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট তাকে শুধু দুঃখ দিয়ে গেলেও ইংলিশ ক্রিকেট কিন্তু তাকে দুহাত ভরে দিয়েছে। এমনকি ব্রিটিশ রাণী এলিজাবেথের কাছ থেকে ২০০৫ সালে সম্মানসূচক উপাধি লাভ করেন। 

আজন্ম বঞ্চিত অলিভেইরা যিনি কিনা একদা বলেছিলেন, " আমার শৈশব কৈশোর বলে কিছু নেই, শুধু আছে বিষাদের গহীন বিস্তার।" কে জানতো একদিন এই অশ্বেতাঙ্গ ক্রিকেটারই বর্ণবাদকে পেছনে ফেলে রাজসিক ইংলিশ ক্রিকেটে তার রাজত্ব কায়েম করবেন! 

আজীবন বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতীক হিসেবে আমরা মার্টিং লুথার কিং, নেলসন ম্যান্ডেলাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করলেও আজও যখন পৃথিবীর কোন এক প্রান্তে কোন খেলোয়াড়কে বর্ণবাদের শিকার হতে দেখি, তখন এই অলিভেইরার চেহারাটা চোখের সামনে ভেসে ওঠে৷ মুখ দিয়ে বিড়বিড় করে বের হয়ে আসে- "বর্ণবাদ নিপাত যাক, মানবসত্ত্বা মুক্তি পাক।"


রাজস্থান রয়েলস বনাম সানরাইজার্স হাইদ্রাবাদ
৪০তম ম্যাচ, দুবাই
২২ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০

চেন্নাই সুপার কিংস বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স
৪১তম ম্যাচ, শারজা
২৩ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০

কলকাতা বনাম দিল্লী ক্যাপিটালস
৪২তম ম্যাচ, আবুধাবি
২৪ অক্টোবর ২০২০, বিকাল ৪টা
আইপিএল, ২০২০

কিংস এলিভেন পাঞ্জাব বনাম সানরাইজার্স হাইদ্রাবাদ
৪৩তম ম্যাচ, দুবাই
২৪ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০

ব্যাঙ্গালুরো বনাম চেন্নাই সুপার কিংস
৪৪তম ম্যাচ, দুবাই
২৫ অক্টোবর ২০২০, বিকাল ৪টা
আইপিএল, ২০২০

রাজস্থান রয়েলস বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স
৪৫তম ম্যাচ, আবুধাবি
২৫ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০

সবশেষ ফলাফল [ ফলাফল পাতা ]

কিংস এলিভেন পাঞ্জাব 5 উইকেটে জয়ী।
৩৮তম ম্যাচ, দুবাই
দিল্লী ক্যাপিটালস 164/5 (20.0)
কিংস এলিভেন পাঞ্জাব 167/5 (19.0)
২০ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০
রাজস্থান রয়েলস 7 উইকেটে জয়ী।
৩৭তম ম্যাচ, আবুধাবি
চেন্নাই সুপার কিংস 125/5 (20.0)
রাজস্থান রয়েলস 126/3 (17.3)
১৯ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০
কিংস এলিভেন পাঞ্জাব সুপার ওভারে জয়ী
৩৬তম ম্যাচ, দুবাই
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স 176/6 (20.0)
কিংস এলিভেন পাঞ্জাব 176/6 (20.0)
১৮ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০
কলকাতা সুপার ওভারে জয়ী
৩৪তম ম্যাচ, আবুধাবি
কলকাতা 163/5 (20.0)
সানরাইজার্স হাইদ্রাবাদ 163/6 (20.0)
১৮ অক্টোবর ২০২০, বিকাল ৪টা
আইপিএল, ২০২০
দিল্লী ক্যাপিটালস 5 উইকেটে জয়ী।
৩৪তম ম্যাচ, শারজা
চেন্নাই সুপার কিংস 179/4 (20.0)
দিল্লী ক্যাপিটালস 185/5 (19.5)
১৭ অক্টোবর ২০২০, রাত ৮টা
আইপিএল, ২০২০
ব্যাঙ্গালুরো 7 উইকেটে জয়ী।
৩৩তম ম্যাচ, দুবাই
রাজস্থান রয়েলস 177/6 (20.0)
ব্যাঙ্গালুরো 179/3 (19.4)
১৭ অক্টোবর ২০২০, বিকাল
আইপিএল, ২০২০